পাঠক প্রোফাইল

যাচ্ছেতাই লেখাকে আমি হঠকারিতা মনে করি

রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২০ | ৮:৫২ অপরাহ্ণ | 535 বার

যাচ্ছেতাই লেখাকে আমি হঠকারিতা মনে করি

॥ জিন্নাতুজ্জোহরা বীথি ॥

আমি জিন্নাতুজ্জোহরা বীথি। রংপুরে থাকি। বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর করে একটি প্রতিষ্ঠানে বছরখানেক বাংলা পড়িয়ে বর্তমানে বাপের অন্ন ধ্বংস করছি।
জন্ম ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৯২।
প্রথম পড়া বইয়ের কথা নির্দিষ্ট করে বলতে পারব না। খুব ছোটবেলায় বাবার ট্রাঙ্কভর্তি মাসুদ রানা সিরিজের বই ছিল। সেসব পড়েই বইয়ের প্রতি নেশার জন্ম। আর সে নেশার সলতেটাকে উস্কে দিলো বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। মাধ্যমিকে পা দিয়েই লাইব্রেরি থেকে নেয়া শুরু করলাম বই। সপ্তাহের নির্ধারিত বই পড়ার পর ম্যাডামের কাছ থেকে অতিরিক্ত বই চেয়ে নিয়ে পড়তাম। বেশ কয়েকবার সেরা পাঠক পুরস্কারও জিতেছিলাম। কিন্তু ইঁদুরকপালে হবার দরুণ তা আর আমার হস্তগত হয়নি।

 

প্রচুর প্রকৃতিপ্রেমী। সবুজ প্রান্তর, নদীর নৈসর্গিক রূপশ্রী খুব টানে। রাঁধতে পছন্দ করি। আর পছন্দ করি গান গাইতে। খুব বেশি মন খারাপ মুহূর্তে রবীন্দ্র সংগীতের চেয়ে ভালো সঙ্গ আমায় অন্তত কিছু দিতে পারে না। কথিত আছে, “যে সঙ্গীতকে ভালোবাসে তার নিঃসঙ্গ সময় মধুরতর হয়”। কথাটা সর্বান্তকরণে বিশ্বাস করি।
ভবিষ্যত ইচ্ছে বা স্বপ্ন দুটোই নিজের পঠিত বিষয় বাংলাকে নিয়ে। আমি বাংলার দিদিমনি হতে চাই। লেখালেখি শখের বশে করা হয়। তবে যেহেতু ব্যাকগ্রাউন্ড বাংলা সেহেতু আমি মনে করি এই জগতে আমার দায়বদ্ধতা তুলনামূলক বেশি। অন্যদের মতো যাচ্ছেতাই লেখাকে আমি হঠকারিতাই মনে করি, অন্তত আমার ক্ষেত্রে। তাই একটু রয়েসয়ে আসতে চাই।
ব্যক্তিগতভাবে চাই বইয়ে ডুবে থাকার মতো একটা গোডাউন বানাতে। রান্নাতে যেহেতু মন্দ নই সেহেতু বই আর রান্নাকে কম্বাইন্ড করে ভবিষ্যতে কিছু একটা করার সুপ্ত বাসনাও সর্বদা মনে ধারণ করি।
এই তো! এটাই আমি।

Facebook Comments