পাঠক প্রোফাইল

মায়ের অনুপ্রেরণাই বই পড়ার প্রতি আগ্রহ জুগিয়েছে

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২০ | ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ | 1482 বার

মায়ের অনুপ্রেরণাই বই পড়ার প্রতি আগ্রহ জুগিয়েছে

॥ কানিজ ফাতেমা ॥

আমি কানিজ ফাতেমা। ডাকনাম তামান্না। সহপাঠীরা ছোট করে কানিজ বলেই ডাকে। জন্ম বরিশাল বিভাগের ভোলা জেলায়। প্রাকৃতিক নৈসর্গের আরেক লীলাভূমি এই জেলা। যেটা বাংলাদেশের বৃহত্তর বদ্বীপ নামেও পরিচিত। ২০১৫ সালে এস.এস.সি ও ২০১৭ সালে এইচ.এস.সি পাশ করি।বর্তমানে সিদ্ধেশ্বরী কলেজ বাংলা সাহিত্যের অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

 

 

বইপ্রেমীরা বই পেলেই কোনটা রেখে কোনটা পড়বে? এমন একটা দ্বিধায় থাকে। এককথায় বইয়ের উপর হুমড়ি খেয়ে পড়ে সবাই! প্রথম পড়া বইয়ের কথা নির্দিষ্ট করে বলাটা একটু দুষ্কর। ছোটবেলা থেকেই বইয়ের প্রতি ছিল অন্যরকম নেশা। মা একজন শিক্ষিকা। যখন থেকে বই পড়তে শিখেছি, তখন থেকেই তার সঙ্গে বিদ্যালয়ে গেলে লাইব্রেরির মধ্যেই লেগে থাকতাম।ছুটির ঘণ্টা পরলেও আর একটু বলে ঘণ্টাখানেক সময় দিতাম।
তবে ২০১০ সালে প্রথম পড়েছি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পথের পাঁচালী উপন্যাসটি। এছাড়াও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কপালকুণ্ডলা, কমলাকান্ত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চোখের বালি, গোরা। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের গৃহদাহ, দেবদাস। শহীদুল্লা কায়সারের সংশপ্তক। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুতুলনাচের ইতিকথা ইত্যাদি।
মায়ের অনুপ্রেরণাই বই পড়ার প্রতি আগ্রহ জুগিয়েছে। হাতেখড়ির আগ থেকেই বিভিন্ন ধরনের ছবিযুক্ত বই দিয়ে বসিয়ে রাখতেন। তিনি সবসময় বলতেন বই পড়তে ভালো না লাগলে শুধু বই নিয়ে বসে থাকো, পড়ার ইচ্ছেটা আস্তে আস্তে হয়ে যাবে। ঠিক আমার বেলায় তাই হয়েছে।

 

ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময়ই সাহিত্য সংগঠনের সাথে যুক্ত হয়েছি। তাই পুরস্কার প্রাপ্তি দু-চারটে আছে।
বই নিয়ে ভাবনাটা অনেক বিস্তৃত। চাই নিজস্ব একটা লাইব্রেরি। একটু-আধটু লেখালেখি করি। সর্বস্তরের মানুষকে কাছে থেকে দেখার চেষ্টা করি।তাদের কতটুকু সাহায্য করতে পারবো জানি না তবে তাদের জীবন বৈচিত্র্য ফুটিয়ে তুলতে চাই লেখার মাধ্যমে। বড় বড় রেস্টুরেন্ট আমায় টানে না।আমি ফুটপাতে যাই সেই মানুষদের হাসিটা উপলব্ধি করার জন্য। স্বপ্নটা অনেক বড়। হাঁটি হাঁটি পা পা করে পৌঁছাতে চাই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে।

[ বই-পুস্তক-প্রকাশনা এবং বাংলাদেশের প্রকাশনা জগতের যে কোনো সংবাদ প্রকাশের জন্য আমাদের ই-মেইল করতে পারেন : desherboi@gmail.com ]

Facebook Comments